সব স্মৃতি হারালেও জিমিনকে ভোলেননি বৃদ্ধা, মায়ের ইচ্ছায় কনসার্টে মেয়ের সঙ্গে
- 1
২০ বছর পর আবারও বিলিচের অধীনে মদরিচ, জয়ে ফিরল ক্রোয়েশিয়া
- 2
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে কোহলির সামনে পাঁচ রেকর্ডের হাতছানি
- 3
তিন ভুলের খেসারত ইংল্যান্ডের, ওয়েম্বলিতে স্পেনের রোমাঞ্চকর জয়
- 4
এমবাপ্পের হাঁটুর চোট নিয়ে রিয়ালের বিবৃতি, কতটা গুরুতর জানাল ক্লাব
- 5
রোনালদোকে বেঞ্চে রেখেও নরওয়েকে হারাল পর্তুগাল, জয়ে জেসুসের দল

সব স্মৃতি হারালেও জিমিনকে ভোলেননি বৃদ্ধা, মায়ের ইচ্ছায় কনসার্টে মেয়ের সঙ্গে
সব স্মৃতি হারালেও জিমিনকে ভোলেননি বৃদ্ধা, মায়ের ইচ্ছায় কনসার্টে মেয়ের সঙ্গে
ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত হয়ে দৈনন্দিন জীবনের প্রায় সব স্মৃতিই হারিয়ে ফেলেছেন এক প্রবীণ নারী। কিন্তু স্মৃতির জটিলতার মধ্যেও একটি নাম যেন এখনো স্পষ্ট—বিটিএস তারকা জিমিন।
মায়ের এই বিশেষ স্মৃতিটুকু ধরে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে জিমিনের একক কনসার্টে তাকে নিয়ে গিয়েছেন তাঁর মেয়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই আবেগঘন ঘটনার কথা পরে প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।
অনলাইনে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ওই নারী জানান, তাঁর মায়ের স্মৃতিশক্তি প্রতিদিনই দুর্বল হয়ে পড়ছিল। পরিচিত অনেক কিছুই তিনি ভুলে যাচ্ছিলেন। তবে আশ্চর্যজনকভাবে জিমিনের নাম ও তাঁর প্রতি মায়ের ভালো লাগা এখনো অটুট ছিল।
মায়ের এই বিশেষ ভালোবাসাকে সম্মান জানাতেই জিমিনের কনসার্টের টিকিট কেনার সিদ্ধান্ত নেন মেয়ে। টিকিটের খবর শুনে প্রবীণ মায়ের উচ্ছ্বাসের দৃশ্যও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সেই ভিডিও দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বিটিএস ভক্তরা।
মেয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, পুরো বিমানযাত্রায় তাঁর মা আনন্দে গান গেয়েছেন এবং বারবার জিমিনকে দেখার কথা বলেছেন। তবে শারীরিক অসুস্থতার কারণে যাত্রাপথে কয়েকবার বিভ্রান্তও হয়ে পড়েন তিনি। জিমিনকে চিনতে পারলেও কোথায় যাচ্ছেন কিংবা কেন বিমানে উঠেছেন—সেসব কথা কিছুক্ষণ পরপর ভুলে যাচ্ছিলেন।
শেষ পর্যন্ত শিকাগো পৌঁছে মা ও মেয়ে একসঙ্গে উপভোগ করেন জিমিনের কনসার্ট। কনসার্ট শেষে পপ-আপ স্টোর থেকে জিমিনের বিভিন্ন স্মারকও কেনেন মেয়ে, যাতে মায়ের শোবার ঘর সাজানো যায়।
জিমিনের নাম লেখা টি-শার্ট পরে হাসিমুখে প্রবীণ মায়ের ছবিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা হয়। ছবিটি প্রকাশের পরপরই তা ব্যাপক ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পায়।
পরে ওই নারী জানান, অসুস্থ মায়ের সঙ্গে এমন কিছু মূল্যবান মুহূর্ত তৈরি করার সুযোগ পাওয়ায় তিনি জিমিনের প্রতি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। তাঁর কাছে এটি শুধু একটি কনসার্টে যাওয়া নয়, বরং মায়ের মনে এখনো বেঁচে থাকা একটি সুন্দর স্মৃতিকে উদযাপন করার বিশেষ সুযোগ।















