সাবিলা নূর ও ডিওপি মামুনকে ঘিরে প্রেমের গুঞ্জন, তিশার অভিযোগে নতুন আলোচনা
- 1
মাছরাঙার ইনস্টাগ্রামে তারকাদের ভুয়া ভিডিও: হ্যাকের দাবি
- 2
সিনেমায় অভিনয়ের বিনিময়ে যৌন সম্পর্কের প্রস্তাব, পরিচালকের নম্বর ব্লক করেন নীতি টেলর
- 3
এআই দিয়ে বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি নিয়ে ক্ষুব্ধ মেহজাবীন
- 4
মাকে নিয়ে অপপ্রচারে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি মৌসুমীপুত্র ফারদিনের
- 5
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ নারী দল, শেষ ম্যাচেও বড় হার

সাবিলা নূর ও ডিওপি মামুনকে ঘিরে প্রেমের গুঞ্জন, তিশার অভিযোগে নতুন আলোচনা
সাবিলা নূর ও ডিওপি মামুনকে ঘিরে প্রেমের গুঞ্জন, তিশার অভিযোগে নতুন আলোচনা
ঢাকাই শোবিজে অভিনেত্রী সাবিলা নূরকে ঘিরে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা আলোচনার মধ্যে নতুন করে সামনে এসেছে চিত্রগ্রাহক (ডিরেক্টর অব ফটোগ্রাফি বা ডিওপি) আবদুল মামুনের নাম। মামুনের সঙ্গে দীর্ঘ সাত বছরের প্রেমের সম্পর্ক ও বিয়ের পরিকল্পনা ভেঙে যাওয়ার জন্য সাবিলা নূরকে দায়ী করেছেন তিশা নামের এক নারী। তবে তাঁর অভিযোগের বিষয়ে সাবিলা নূর, তাঁর স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহের কিংবা আবদুল মামুনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তিশার দাবি, দুই পরিবারের সম্মতিতে তাঁদের বিয়ের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছিল। গত ১৫ মে বিয়ের তারিখও নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু বিয়ের কয়েক দিন আগে আবদুল মামুন তাঁকে জানান, তিনি আর বিয়ে করতে চান না। কারণ জানতে একাধিকবার চেষ্টা করেও স্পষ্ট কোনো উত্তর পাননি বলে দাবি করেন তিশা।
তাঁর ভাষ্য, সাবিলা নূর অভিনীত ‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিং শেষ হওয়ার পাঁচ দিন পর তাঁদের বিয়ের পরিকল্পনা ছিল। সিনেমাটির কাজের কারণে বিয়ের তারিখ পিছিয়ে দিতে রাজি হয়েছিলেন তিনি। পরে সাবিলা নূরের সঙ্গে মামুনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা জানতে পারেন বলে দাবি করেন তিশা।
গণমাধ্যমকে তিশা বলেন, ‘যা শুনেছেন সব সত্য। সাবিলা নূরের কারণেই আমার দীর্ঘ সাত বছরের প্রেম এবং বিয়ে ভেঙে গেছে।’ তাঁর অভিযোগ, মামুন অন্য সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন বলে জানার পর থেকে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
তিশার দাবি, তাঁদের বিয়ে আরও আগে হওয়ার কথা থাকলেও ‘রকস্টার’ সিনেমার কাজের জন্য তা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। শাকিব খানের মতো তারকার সঙ্গে কাজের সুযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে তিনি বিয়ের তারিখ পরিবর্তনে সম্মতি দিয়েছিলেন বলেও জানান।
আক্ষেপ প্রকাশ করে তিশা বলেন, সাবিলা নূর তাঁদের সম্পর্কের বিষয়ে জানতেন। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর মামুন তাঁকে ছেড়ে অন্য সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কারও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিংকে কেন্দ্র করেই সাবিলা নূর ও আবদুল মামুনের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছিল বলে দাবি করেছেন তিশা। সিনেমাটির পরিচালক আজমান রুশোর সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত মন্তব্য করেননি। পরে এ নিয়ে কথা বলবেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।
এদিকে সাবিলা নূর ও তাঁর স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের দাম্পত্য জীবন নিয়েও সম্প্রতি নানা আলোচনা চলছে। দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের পর ২০১৯ সালে বিয়ে করেন তাঁরা। তবে তাঁদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে কিংবা তাঁরা আলাদা থাকছেন—এমন খবরের বিষয়ে দুজনের কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাবিলা নূর ও শাকিব খানকে ঘিরেও বিভিন্ন আলোচনা ছড়িয়েছে। তবে তাঁদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে ছড়ানো দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই এসব বক্তব্যকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে না দেখে গুঞ্জন ও অভিযোগ হিসেবে বিবেচনা করাই যুক্তিযুক্ত।
sourche: kalbela















