স্তন ক্যানসার সচেতনতায় পাকিস্তানের জার্সি গোলাপি, গাদ্দাফি স্টেডিয়ামেও রঙের ছোঁয়া
- 1
আজ টিভিতে যা দেখবেন (২৪ অক্টোবর ২০২৬): নিউজিল্যান্ড-ভারত টি-টোয়েন্টি, EPL-এ বড় ম্যাচ
- 2
জন্মদিনে নানাকে খুঁজছেন পরীমনি, ঘুম থেকে তুলে কেক কাটানোর স্মৃতিতে কাঁদেন
- 3
পেশাজীবীদের কাজ সহজ করতে নতুন এআই এজেন্ট ‘ক্লদ ডুয়েট’ আনল অ্যানথ্রোপিক
- 4
মেসিকে পুরস্কার দিল স্পেন, ‘সর্বকালের সবচেয়ে সফল ফুটবলার’ হিসেবে স্বীকৃতি
- 5
৪৬২ মিলিয়ন ডলারের ‘গ্ল্যাডিয়েটর ২’ এখন নেটফ্লিক্সের শীর্ষ সিনেমা, আলোচনায় পেদ্রো পাস্কাল

স্তন ক্যানসার সচেতনতায় পাকিস্তানের জার্সি গোলাপি, গাদ্দাফি স্টেডিয়ামেও রঙের ছোঁয়া
স্তন ক্যানসার সচেতনতায় পাকিস্তানের জার্সি গোলাপি, গাদ্দাফি স্টেডিয়ামেও রঙের ছোঁয়া
ক্রিকেট মাঠে পাকিস্তানের চিরচেনা রং সবুজ। তবে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এবার সেই পরিচিত রঙের বদলে গোলাপি জার্সিতে মাঠে নেমেছেন পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে এমন ব্যতিক্রমী রংবদলের পেছনে রয়েছে মহৎ এক উদ্দেশ্য—স্তন ক্যানসার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো।
পাকিস্তান, ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে চলমান ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজের চতুর্থ ম্যাচটি স্তন ক্যানসার সচেতনতার জন্য উৎসর্গ করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। অক্টোবর মাস বিশ্বজুড়ে স্তন ক্যানসার সচেতনতার মাস হিসেবে পালিত হয়। সেই উপলক্ষেই এই বিশেষ আয়োজন।

গোলাপি সাজে গাদ্দাফি স্টেডিয়াম
শুধু পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের জার্সিতেই নয়, গোলাপি রঙের ছোঁয়া লেগেছে পুরো গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে। ম্যাচের স্টাম্পগুলো সাজানো হয়েছে গোলাপি রঙে। স্টেডিয়ামের বড় পর্দা ও এলইডি বোর্ডে প্রচার করা হচ্ছে স্তন ক্যানসার সম্পর্কে সচেতনতামূলক বার্তা।
এই উদ্যোগে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন ইংল্যান্ডের ক্রিকেটার, ম্যাচ অফিশিয়াল ও ধারাভাষ্যকারেরাও। স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত ব্যক্তি এবং এ রোগ থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষদের প্রতি সংহতি জানাতে তাঁদের পোশাকে দেখা গেছে গোলাপি ফিতা।
সচেতনতা বাড়াতে পিসিবির উদ্যোগ
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজনটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এতে সহযোগিতা করছে পিংক রিবন ব্রেস্ট ক্যানসার ট্রাস্ট হাসপাতাল।
এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য স্তন ক্যানসার প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করার গুরুত্ব তুলে ধরা এবং রোগীদের সময়মতো চিকিৎসা নিতে উৎসাহিত করা। ক্রিকেটের মতো জনপ্রিয় খেলাকে কাজে লাগিয়ে আরও বেশি মানুষের কাছে সচেতনতামূলক বার্তা পৌঁছে দেওয়াই আয়োজকদের উদ্দেশ্য।
পিসিবির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা সুমাইর আহমদ সৈয়দ বলেন, পাকিস্তানে ক্রিকেটের বিপুল জনপ্রিয়তা ও প্রভাবের সঙ্গে একটি সামাজিক দায়িত্বও জড়িয়ে আছে। পিংক রিবন উদ্যোগের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মঞ্চকে কাজে লাগিয়ে স্তন ক্যানসার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ ও সময়মতো চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরতে চায় বোর্ড।
ওয়ানডেতে প্রথম, টি-টোয়েন্টিতে আগেও গোলাপি উদ্যোগ
স্তন ক্যানসার সচেতনতা বাড়াতে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের গোলাপি জার্সি পরার ঘটনা এবারই প্রথম নয়। গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজেও ‘পিংক ডে’ পালন করেছিল পাকিস্তান।
তবে ওয়ানডে ক্রিকেটে এ ধরনের উদ্যোগ এবারই প্রথম। মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার এই আয়োজন ক্রিকেটকে কেবল প্রতিদ্বন্দ্বিতার মঞ্চ নয়, জনসচেতনতা তৈরির মাধ্যম হিসেবেও তুলে ধরেছে।














