এমবাপ্পের গোলে জয়, জিদানের ডাগআউট অভিষেক রাঙাল ফ্রান্স
- 1
বায়ার্নেই থাকতে চান হ্যারি কেইন, নতুন চুক্তির পথে বড় অগ্রগতি
- 2
রোনালদোর মতো ৪১ বছর পর্যন্ত ফ্রান্সে খেলা সম্ভব নয়: এমবাপ্পে
- 3
মারায়া কেরিকে পেছনে ফেলে বিলবোর্ডে নতুন রেকর্ড এলা ল্যাংলির
- 4
এক মুহূর্তেই শেষ মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট
- 5
সাঁতারে ১৭ বছরেই বিশ্ব রেকর্ড, এশিয়ান গেমসে ইতিহাস গড়লেন জাপানের শিন ওহাশি

এমবাপ্পের গোলে জয়, জিদানের ডাগআউট অভিষেক রাঙাল ফ্রান্স
এমবাপ্পের গোলে জয়, জিদানের ডাগআউট অভিষেক রাঙাল ফ্রান্স
জাতীয় দলের ডাগআউটে জিনেদিন জিদানের বহুল প্রতীক্ষিত অভিষেকটা হলো জয় দিয়ে। উয়েফা নেশনস লিগে তুরস্ককে ১–০ গোলে হারিয়ে নতুন কোচের অধীনে পথচলা শুরু করেছে ফ্রান্স। দলের জয়সূচক গোলটি করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে।
১৯৯৮ বিশ্বকাপজয়ী ফ্রান্স দলের অন্যতম সদস্য জিদান খেলোয়াড়ি জীবন শেষ করার পর থেকেই কোচ হিসেবে জাতীয় দলের ডাগআউটে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখেছিলেন। তুরস্কের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে সেই স্বপ্ন পূরণ হলো। আর অভিষেকের রাতেই শিষ্যরা উপহার দিল জয়।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে আক্রমণে উঠতে থাকে ফ্রান্স। তবে তুরস্কের জমাট রক্ষণ ভাঙতে বেশ কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হয় তাদের।
অবশেষে ৫৪ মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলটি আসে। মাইকেল ওলিসের বাড়ানো বল থেকে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে তুরস্কের জালে বল পাঠান এমবাপ্পে। গোলের পর অবশ্য উদযাপনের সুযোগ পাননি রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড।
গোল করার পরপরই পায়ে টান অনুভব করেন এমবাপ্পে। ব্যথা বাড়তে থাকায় শেষ পর্যন্ত মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন ২৭ বছর বয়সী এই তারকা। তবে মাঠ ছাড়ার আগেই দলের জয় অনেকটাই নিশ্চিত করে দিয়ে যান তিনি।
ফ্রান্সের ব্যবধান আরও বাড়তে পারত। ৭৮ মিনিটে বদলি হিসেবে নামা ব্র্যাডলি বারকোলার শট গোলমুখে এগিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু তুরস্কের গোলরক্ষক উয়ুরজান চাকির অসাধারণ দক্ষতায় সেই প্রচেষ্টা প্রতিহত হয়।
এরপর ৮৫ মিনিটে নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বক্সের বাইরে এসে বল থামানোর সময় চাকির হাতে বল লাগায় ভিএআরের সহায়তা নেন রেফারি। পরে তুরস্কের গোলরক্ষককে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হয়।
১০ জনের তুরস্ক অবশ্য শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যায়। ম্যাচের শেষ দিকে কয়েকবার সমতায় ফেরার সুযোগও তৈরি করেছিল তারা। কিন্তু কখনো ফ্রান্সের গোলরক্ষক মাইক মাইনিয়ঁ, কখনো ডিফেন্ডার, আবার কখনো গোলবার তাদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
শেষ পর্যন্ত এমবাপ্পের একমাত্র গোলই গড়ে দেয় ম্যাচের ভাগ্য। জয়ের মাধ্যমে তাই জাতীয় দলের কোচ হিসেবে জিদানের অধ্যায় শুরু হলো প্রত্যাশিতভাবেই।













