৩০০ উইকেটের মাইলফলকেও হ্যাজলউডের মুখে দলের ঘুরে দাঁড়ানোর তাগিদ
- 1
‘বিগ বস বাংলা ৩’: বিতর্কের শীর্ষে অভিনেত্রী নন্দিনী দত্ত
- 2
এক মুহূর্তেই শেষ মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট
- 3
র্যাঙ্কিংয়ের ব্যবধান মাঠেও, মালয়েশিয়ার কাছে ৩–০ গোলে হার বাংলাদেশের
- 4
বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর নতুন ব্রাজিলের পরীক্ষা আজ, অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি আনচেলত্তির দল
- 5
৯২ মিনিটে হাকপোর গোল, জার্মানির বিপক্ষে হার এড়াল নেদারল্যান্ডস

৩০০ উইকেটের মাইলফলকেও হ্যাজলউডের মুখে দলের ঘুরে দাঁড়ানোর তাগিদ
৩০০ উইকেটের মাইলফলকেও হ্যাজলউডের মুখে দলের ঘুরে দাঁড়ানোর তাগিদ
টেস্ট ক্রিকেটে ৩০০ উইকেটের মাইলফলক ছুঁয়েছেন জশ হ্যাজলউড। অস্ট্রেলিয়ার নবম বোলার হিসেবে এই কীর্তি গড়ার দিনটিকে আরও স্মরণীয় করেছেন ইনিংসে ৬ উইকেট নিয়ে। তবে ব্যক্তিগত এই সাফল্য উদ্যাপনের সুযোগ খুব একটা নেই তাঁর। কারণ ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়া এখনো বেশ চাপের মধ্যে।
বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস ৪২৬ রানে থামানোর পর দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ১৬১ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এখনো ৬৭ রানে পিছিয়ে তারা। ফলে হ্যাজলউডের কাছে ব্যক্তিগত মাইলফলকের চেয়ে দলের ঘুরে দাঁড়ানোই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
হ্যাজলউড বলেন, ব্যক্তিগত সাফল্য অবশ্যই আনন্দের, তবে ম্যাচের পরিস্থিতিই এখন মূল বিষয়। তাঁর মতে, ডারউইনের উইকেটে পেসারদের জন্য শুরুটা কাজে লাগানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বলের প্রথম ৮ থেকে ১০ ওভারে সুযোগ তৈরি করতে না পারলে বল পুরোনো ও নরম হয়ে যায়, তখন বোলিং করা কঠিন হয়ে পড়ে।
প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৯৮ রানে অলআউট হলেও বাংলাদেশকে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৩৮ ওভার বোলিং করে ৪২৬ রান করতে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। দীর্ঘ সময় মাঠে থাকার কারণে একপর্যায়ে অজি বোলারদের বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের ভুলের অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে।
হ্যাজলউডের মতে, বাংলাদেশকে চাপে রাখতে আরও ধারাবাহিক হতে পারত অস্ট্রেলিয়া। তাঁর ভাষায়, মাঝের সময়টুকু বাদ দিলেও ইনিংসের শুরুতে বাংলাদেশ তুলনামূলক দ্রুত রান করেছে। টানা কয়েকটি মেডেন ওভার করতে পারলে ব্যাটসম্যানদের ওপর চাপ বাড়ানো সম্ভব ছিল।
দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার চার উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশও সেই পরিকল্পনাই কাজে লাগিয়েছে। হ্যাজলউডের চোখে, উইকেট এখনো ব্যাটিংয়ের জন্য যথেষ্ট ভালো। তাই রান তোলার গতি কমিয়ে ব্যাটারদের ভুল করতে বাধ্য করাই উইকেট পাওয়ার অন্যতম কার্যকর উপায়।
বাংলাদেশের বোলারদের প্রশংসাও করেছেন অস্ট্রেলিয়ার এই পেসার। তাঁর মতে, নতুন বল হাতে বাংলাদেশ শুরুতেই দুটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে চাপ তৈরি করেছে। বল পুরোনো হয়ে গেলে বাড়তি সুবিধা না থাকলেও নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে রান আটকে রাখার মাধ্যমে বাংলাদেশের বোলাররা সাফল্য পেয়েছেন।
বর্তমানে ক্যামেরন গ্রিন ৪৩ এবং অ্যালেক্স ক্যারি ১৯ রানে অপরাজিত। অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য এখন যতটা সম্ভব লিড নেওয়া। হ্যাজলউড চান, তাঁর দল আগামীকাল পুরো দিন ব্যাটিং করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে ফিরিয়ে নিক।
জয়ের সম্ভাবনাও এখনো দেখছেন তিনি। হ্যাজলউডের মতে, ডারউইনে টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা সীমিত হওয়ায় উইকেট শেষ পর্যন্ত কেমন আচরণ করবে তা নিশ্চিত করে বলা কঠিন। তবে কিছু বল অসমান বাউন্স করছে। অস্ট্রেলিয়া যদি আগামীকাল দীর্ঘ সময় ব্যাট করতে পারে, তাহলে শেষ দিনে বাংলাদেশের ১০ উইকেট নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
৩০০ উইকেটের মাইলফলক ছোঁয়ার দিনেও তাই হ্যাজলউডের ভাবনায় ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে বড় হয়ে উঠেছে অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচে ফিরে আসা এবং জয় পাওয়ার সম্ভাবনা।
















