শেরকি-হলান্ডে সিটির দাপট, পাঁচ গোল বায়ার্নের; শেষ মুহূর্তে বাঁচল পিএসজি
- 1
‘বিগ বস বাংলা ৩’: বিতর্কের শীর্ষে অভিনেত্রী নন্দিনী দত্ত
- 2
এক মুহূর্তেই শেষ মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট
- 3
র্যাঙ্কিংয়ের ব্যবধান মাঠেও, মালয়েশিয়ার কাছে ৩–০ গোলে হার বাংলাদেশের
- 4
বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর নতুন ব্রাজিলের পরীক্ষা আজ, অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি আনচেলত্তির দল
- 5
হালান্ডের জোড়া গোলে ডেনমার্ককে হারিয়ে নরওয়ের নেশন্স লিগ জয়

শেরকি-হলান্ডে সিটির দাপট, পাঁচ গোল বায়ার্নের; শেষ মুহূর্তে বাঁচল পিএসজি
শেরকি-হলান্ডে সিটির দাপট, পাঁচ গোল বায়ার্নের; শেষ মুহূর্তে বাঁচল পিএসজি
ম্যানচেস্টার সিটিতে আর্লিং হলান্ড ও রায়ান শেরকির দুর্দান্ত নৈপুণ্য, বায়ার্ন মিউনিখের পাঁচ গোলের জয় এবং যোগ করা সময়ে পিএসজির নাটকীয় প্রত্যাবর্তন—ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোতে ছিল গোল ও নাটকে ভরা এক রাত।
শেরকি-হলান্ডে উজ্জ্বল সিটি
প্রিমিয়ার লিগের প্রথম ম্যাচে বোর্নমাউথের বিপক্ষে গোল পাননি আর্লিং হলান্ড। তবে দ্বিতীয় ম্যাচেই সেই হতাশা ভুলিয়ে দিলেন নরওয়েজিয়ান তারকা।
ক্রিস্টাল প্যালেসের মাঠ সেলহার্স্ট পার্কে ৪-১ গোলের জয়ে জোড়া গোল করেছেন হলান্ড। তাঁর সঙ্গে দারুণ পারফরম্যান্স করেছেন রায়ান শেরকিও।
৫৪ ও ৫৯ মিনিটে গোল করে ম্যাচের অন্যতম নায়ক হন এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার। প্রথম ম্যাচে শুরুর একাদশে সুযোগ না পেলেও বেঞ্চ থেকে নেমে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছিলেন শেরকি। এবার মূল একাদশে সুযোগ পেয়ে আরও উজ্জ্বল তিনি।
হলান্ডের জন্য ক্রিস্টাল প্যালেস যেন প্রিয় প্রতিপক্ষ হয়ে উঠেছে। লিগে দলটির বিপক্ষে ছয় ম্যাচ খেলেই প্রতিটিতে গোল করেছেন তিনি। এ পথে ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে তাঁর গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০।
একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে প্রথম ছয় ম্যাচেই গোল করা তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে রাহিম স্টার্লিং ও মোহাম্মদ সালাহর পাশে নাম লিখিয়েছেন হলান্ড।
সিটির কোচ এনজো মারেসকা ম্যাচ শেষে হলান্ডের প্রশংসা করে বলেন, শুধু গোল নয়, বল ছাড়া তাঁর কাজও দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পাঁচ গোলের ঝড়ে বায়ার্ন
বুন্দেসলিগার নতুন মৌসুম দারুণভাবেই শুরু করেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখ।
ঘরের মাঠে স্টুটগার্টকে ৫-১ গোলে হারিয়েছে বাভারিয়ানরা। গোল পেয়েছেন দায়ো উপামেকানো, মাইকেল ওলিসে ও লুইস দিয়াজ।
বুন্দেসলিগায় অভিষিক্ত মরোক্কান মিডফিল্ডার ইসমাইল সাইবারি ম্যাচে দুটি গোল তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
ম্যাচটি গোলকিপার ম্যানুয়েল নয়্যারের জন্যও বিশেষ ছিল। এটি ছিল বায়ার্নের হয়ে তাঁর ৬০০তম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ।
জয়ের পর নয়্যার বলেন, মৌসুমের শুরুটা এমনভাবে করতে পারা স্বপ্নের মতো।
এই ফলের মাধ্যমে টানা ১৫ বছর বুন্দেসলিগার প্রথম ম্যাচে অপরাজিত থাকার ধারাও বজায় রাখল বায়ার্ন।
যোগ করা সময়ে বাঁচল পিএসজি
লিঁলের বিপক্ষে ৯০ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে ছিল পিএসজি। দেখে মনে হচ্ছিল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের হার নিশ্চিত।
কিন্তু শেষ মুহূর্তে বদলে যায় ম্যাচের গল্প।
যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে ভিতিনিয়ার গোলে ব্যবধান কমায় পিএসজি। এরপর ৯০+৫ মিনিটে মারকিনিওস গোল করলে নাটকীয়ভাবে ২-২ সমতায় ফেরে লুইস এনরিকের দল।
লিগে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ড্র করল পিএসজি।
ম্যাচ শেষে মারকিনিওস বলেন, পিএসজির বিপক্ষে শেষ বাঁশি না বাজা পর্যন্ত কোনো কিছুই শেষ হয়ে যায় না। দলের মানসিকতা ও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করার ক্ষমতাকেই ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন তিনি।
শেষ কথা
হলান্ড ও শেরকির নৈপুণ্যে সিটির দাপুটে জয়, বায়ার্নের পাঁচ গোলের উৎসব এবং শেষ মুহূর্তে পিএসজির অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন—ইউরোপীয় ফুটবলে ছিল নাটকীয় এক রাত।












